নিজস্ব প্রতিবেদক,
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ)। এরই ধারাবাহিকতায় সংগঠনটির নতুন নির্বাচিত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের লাইব্রেরি ভবনের দ্বিতীয় তলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নতুন কমিটি নির্বাচিত ও ঘোষণা করা হয়।
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মো. মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় এবং মো. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী কার্যক্রমে ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট ভোটাররা সরাসরি ভোট প্রদান করেন।
জানা যায়, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) ১৯৯৮ সাল থেকে কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছে। সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পরপর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নতুন কমিটির নেতৃত্বে যারা
নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. সরোয়ার হোসেন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো. দিলোয়ার হোসেন। এছাড়া সহসভাপতি মো. বুলবুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান সিকদার এবং কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন কাজী মো. মিজানুর রহমান।
নতুন কমিটির কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদানের জন্য উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের গাইড লেকচারার মো. মনিরুজ্জামান, উচ্চমান সহকারী মো. মিজানুর রহমান এবং হিসাবরক্ষক মো. আব্দুর রহিম।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. দিলোয়ার হোসেন বলেন, কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও ঐক্য সুদৃঢ় করার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও ইতিবাচক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ফাউন্ডেশনের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় কর্মচারীদের দক্ষতা ও আন্তরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নতুন কমিটি সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করবে।
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মো. মনিরুজ্জামান ও মো. মিজানুর রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, কর্তৃপক্ষের কর্মচারীবান্ধব মানসিকতা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবি ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা আরও গতিশীল হবে।
নবনির্বাচিত কমিটি কর্মচারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ফাউন্ডেশনের সার্বিক উন্নয়নে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।