মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
এই মাত্র পাওয়া খবর :
জামালপুরে গৃহবধূকে অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড সোনারগাঁয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানদের মধ্যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও মোগরাপাড়াকে ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসমুক্ত করব-আতাউর রহমান সোনারগাঁয়ে সাইফুর’স-এর নতুন শাখার উদ্বোধন বৈদ্যেেরবাজারের পানাম-গাবতলী সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন পূর্ণমন্ত্রী হলেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুরে নেতাকর্মী দের আনন্দ উচ্ছ্বাস জামালপুরে চাচা-ভাতিজা হত্যা: ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন রহমতপুরে মুসল্লিদের সঙ্গে মতবিনিময়, দোয়া ও সমর্থন চাইলেন আতাউর রহমান সোনারগাঁয়ে আল মুজাহিদ মল্লিকের নির্বাচনী উঠান বৈঠক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু, যানজট ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ

জামালপুরে গৃহবধূকে অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৯ Time View

আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম :

জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুরে এক গৃহবধূকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অপহরণের অভিযোগে তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ভাটিপাড়া এলাকার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. ছাত্তার আলী (৪০), কয়ড়ারপাড় এলাকার মৃত শামছুল হকের ছেলে মো. আব্দুল মালেক (৪২) এবং একই এলাকার মৃত নায়েব আলীর ছেলে মো. আনু (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ সন্তানদের নিয়ে রশিদপুরে নিজের বাড়িতে বসবাস করতেন। তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে ঢাকায় বসবাস করায় তিনি সন্তানদের নিয়ে একাই সংসার পরিচালনা করতেন। এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী ছাত্তার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ছাত্তার আলী সহযোগীদের নিয়ে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করেন। পরে তাকে জোরপূর্বক সেখান থেকে তুলে পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
পরদিন ভুক্তভোগী নারী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাক্ষীদের কাছে বিষয়টি জানান। পরে তাদের পরামর্শে তিনি থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত তিন আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড দেন। এছাড়া অপহরণের অভিযোগে তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষ প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেছে। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে ধর্ষণের দায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপহরণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “এই রায়ে বাদীপক্ষ সন্তুষ্ট।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 কাগজ কলম
Theme Customized By Shah Mohammad Robel