নিজস্ব প্রতিবেদক,,
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের সাগর শীল পূজা উদযাপন কমিটির সহ-সভাপতি হওয়ার পর থেকে হিন্দু সমাজে আতঙ্ক ও ভয়ভীতি বিরাজ করছে। পূজা উদযাপন কমিটি সহ-সভাপতি হয়ে নিজেকে মহা শক্তিশালী
মনে করে,এলাকার সাধারণ হিন্দুদের মারধর ও এলাকা ছাড়ার হুমকি দেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,সাগর শীল ধর্মকে পুঁজি করে এর আড়ালে বহু অনৈতিক কাজ করে,ঐ এলাকায় সকল অপরাধের সাথেই সে জড়িত ও মূল হোতা। সে প্রধানত ডাকাতির স্বর্ণ কেনাবেচা,চাঁদাবাজী,মাদক ও নারী ব্যবসার সাথে জড়িত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী জানান,কিছুদিন আগে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এবং শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রমে আগত এক ভক্তকে লাঞ্ছিত করে। আশ্রম কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানালেও কোন প্রতিকার পায়নি ভক্ত। স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে চুরি,ডাকাতির স্বর্ণ কিনে অল্প সময়ে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে যায় সে। স্থানীয়রা বলেন,পুলিশ কয়েকবার তাকে ধরলেও আইনের ফাঁক ফকর দিয়ে, শাস্তি ছাড়া সে কি ভাবে বের হয়ে আসে বুঝতে পারিনা। তবে বর্তমান সময়ে স্থানীয় এক শ্রেণীর হিন্দু নেতা ও বিএনপির নেতাদের সাথে লেনদেনের একপ্রকার মোখিক চুক্তি করে সে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ হিন্দুরা তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। সে দাম্ভিকতার সহিত বলে বেড়ায়,নারায়ণগঞ্জ জেলার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
হলো আমার অভিবাবক,আমাকে কেউ কিছু করতে পারবেনা। এ নিয়ে বারদীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ। সেই সাথে তারা নিন্দা জানাচ্ছে জেলা পূজা উদযাপন কমিটির বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে গত কয়েকদিন আগে দৈনিক অগ্রবানী প্রত্রিকায় সাগর শীলকে নিয়ে একটি নিউজ হয়,নিউজ হওয়ার পরও প্রশাসন কোন তদন্ত বা ব্যবস্থা নেয়নি সাগর শীলের বিরুদ্ধে। এখন সে এই বলে এলাকায় প্রচার করে বেড়াচ্ছে যে অর্থের কাছে সব কিছুই নিরব থাকে,আর প্রশাসন আমার হাতের মুঠোয়,আমি অর্থ দিয়ে সবকিছু করতে পারি।
স্থানীয় ও সনাতনীদের দাবী অনতিবিলম্বে সাগর শীলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা সহ বারদী পূজা উদযাপন কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হোক। এবং নতুন করে পূজা উদযাপন কমিটি গঠন করা হোক। এ ব্যাপারে সাগর শীলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।