নিজস্ব প্রতিবেদক,,
চেয়ারম্যান হলে সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার, উন্নয়ন ও নিরাপদ মোগরাপাড়া গড়ার প্রত্যয়
এস এম মিঠু,সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মোগরাপাড়া ইউনিয়নকে উন্নত, আধুনিক ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।
তিনি বলেন,ভূমিদস্যুতা ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান তুলে ধরে “জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও মোগরাপাড়া ইউনিয়নকে ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসমুক্ত করে ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ। সাধারণ মানুষের জমি-জমা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো অন্যায় ও সন্ত্রাসের সঙ্গে আপস করা হবে না।”
তিনি বলেন, মোগরাপাড়ায় কোনো মানুষ যেন ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া নয়, বরং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অপরাধ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার পাশাপাশি ভূমিদস্যুতা, সন্ত্রাস, মাদক ও কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময়কালে নিজের নির্বাচনী পরিকল্পনা তুলে ধরেন আতাউর রহমান। এ সময় তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নয়; মানুষের জানমাল, সম্পদ ও অধিকার রক্ষায়ও কার্যকর ভূমিকা রাখা।
আতাউর রহমান আরো বলেন, “চেয়ারম্যানের পদ আমার কাছে ক্ষমতার বিষয় নয়, এটি মানুষের সেবা করার দায়িত্ব। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে মোগরাপাড়া ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা থাকবে। সুখের সময়ে যেমন পাশে থাকব, তেমনি বিপদের সময়ও ইউনিয়নবাসী আমাকে তাদের পাশে পাবেন।”
আতাউর রহমানের নির্বাচনী পরিকল্পনায় রয়েছে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা।
মোগরাপাড়ার উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের মতামত নিয়ে কাজ করব। ইউনিয়ন পরিষদ হবে সাধারণ মানুষের অধিকার ও সেবার কেন্দ্র।”
তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। তার মতে, একটি ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেখানে মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারে এবং তরুণরা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ পায়।
মোগরাপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করছেন আতাউর রহমান। তিনি জনগণের সমস্যাগুলো সরাসরি শুনে সেগুলো সমাধানে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন।
তার বক্তব্যে উঠে এসেছে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও জনসেবার সমন্বিত প্রত্যয়। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে মোগরাপাড়ার প্রতিটি নাগরিকের পাশে থেকে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য—এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আতাউর রহমান।
তার নির্বাচনী বার্তা—“ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবার জন্য; অন্যায়ের কাছে মাথা নত নয়, জনগণের অধিকার রক্ষায় আপোসহীন।”