রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
এই মাত্র পাওয়া খবর :
উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সহযোগিতায় দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বনভোজন ক্যান্সার প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে দিনাজপুরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন জামালপুরে চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য, টানা দুই বছর ফেল সবাই চাকরিচ্যুতি ও বকেয়া বেতন না দেওয়ায় জামালপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালের বিরুদ্ধে শ্রম আইনে অভিযোগ লটারীতে একাধিকবার নাম উঠলেও চাকরী পেলেন না ফাতেমা বেগম কালীগঞ্জ হাটে ছয় মাসে অতিরিক্ত আদায় ৫ থেকে ৭ লাখ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ৫ হাজার ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া টাঙ্গন ব্যারেজে মৎস্য উৎসবের উদ্বোধন রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি খন্দকার আবুল বাশার টুকু গ্রেফতার কাইকারটেক নবাব হাবিব উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু মশক নিধন দিবস পালিত হয়েছে পঞ্চগড়ে চালু হলো-প্রতি শুক্রবার অসহায় মানুষের জন্য বিনা মূল্যে খাবার

লটারীতে একাধিকবার নাম উঠলেও চাকরী পেলেন না ফাতেমা বেগম

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ Time View

মোঃশাকিল আহমেদ পঞ্চগড় প্রতিনিধি;

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ৬ নং সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কারকাজের জন্য কলসীবাহিনী প্রকল্পে ১০ জন নারী শ্রমিক নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপিকে ভোট দেওয়ার কারণে ফাতেমা বেগম নামে এক নারীকে কাজে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। লটারিতে একাধিকবার তাঁর নাম উঠলেও নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন ওই নারী।

ফাতেমা বেগম ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সরকারপাড়া এলাকার হামিদুল ইসলামের স্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিএনপিকে ভোট দেওয়ায় তাঁকে কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে লটারির মাধ্যমে ১০ জন নারী শ্রমিক নির্বাচন করা হয়। পাশাপাশি আরও ১০ জনকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখার কথা জানা গেছে। লটারিতে যাঁদের নাম ওঠে, তাঁদের নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফাতেমা বেগমের নাম একাধিকবার উঠেও তাঁকে কাজে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
ফাতেমা বেগম বলেন, “লটারিতে আমার নাম বারবার উঠলেও আমাকে চাকরি দেওয়া হয়নি। আমার দোষ একটাই-আমি ও আমার পরিবার বিএনপিকে ভোট দিয়েছি। আমাদের চেয়ারম্যান তো জামায়াতের।”
এ বিষয়ে ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, “লটারির দিন পরিষদ থেকে আমাকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু পারিবারিক সমস্যার কারণে যেতে পারিনি। ফাতেমা বেগম খুবই গরিব। তাঁর বাড়ির জমিটুকুও নেই। তিনি অবশ্যই এ কাজের যোগ্য।”
অন্যদিকে, ৬ নং সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বলেন, “প্রতি ওয়ার্ড থেকে দুজন করে নেওয়া হয়েছে। একজন চূড়ান্ত তালিকায় এবং অপরজন অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন। কোনো কারণে প্রথম ব্যক্তি কাজ করতে অস্বীকৃতি জানালে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হবে।”
তবে লটারিতে একাধিকবার নাম ওঠার পরও ফাতেমা বেগমকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ না দেওয়ার কারণ এবং তাঁকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে চেয়ারম্যানের বক্তব্যে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাঁকে কাজ থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, লটারির ফলাফল এবং চূড়ান্ত ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 কাগজ কলম
Theme Customized By Shah Mohammad Robel