নিজস্ব প্রতিবেদক,
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ পৌরসভার ভট্টপুর এলাকায় সনাতন ধর্মের অনুসারী প্রদীপ চন্দ্র দাসকে ধর্ম ত্যাগে বাধ্য করে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে হাসনা বেগম নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বর্তমানে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
সরেজমিনে ভট্টপুর এলাকায় গিয়ে জানা যায়, ভুক্তভোগী প্রদীপ চন্দ্র দাস জানান, কয়েক মাস আগে হাসনা বেগম নামের এক নারীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ওই নারী তাকে ধর্ম ত্যাগে বাধ্য করে বিয়ে করেন বলে তিনি দাবি করেন।
প্রদীপ চন্দ্র দাসের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের কিছুদিন পর দুজনের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হাসনা বেগমকে তালাক প্রদান করা হয়। তালাকের পর হাসনা বেগম তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। পরবর্তীতে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে হাসনা বেগম প্রায়ই তার বাড়িতে এসে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন। মামলা ও হামলার ভয় দেখানোর পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, চলমান এসব ঘটনার কারণে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন প্রদীপ চন্দ্র দাস ও তার পরিবারের সদস্যরা।
(উল্লেখ্য, এসব অভিযোগের বিষয়ে হাসনা বেগমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।