লেখা, সামির সরকার সবুজ,
অস্ত্রের ঝনঝনানি আর অর্থের অহংকারে কি মানবতার কণ্ঠ রোধ করা যায়? ক্ষমতার দম্ভে কি একটি স্বাধীন, সার্বভৌম জাতির বুক চিরে নিরীহ মানুষদের রক্ত ঝরানো ন্যায়সঙ্গত হয়ে যায়?
গত আড়াই বছর ধরে ইসরায়েল
এর নির্মম আগ্রাসনে গাজা আজ পরিণত হয়েছে এক বিশাল কবরস্থানে। অসংখ্য নিষ্পাপ শিশু, অসহায় মা, নিরীহ বৃদ্ধ—তাদের অপরাধ কী ছিল? শুধু তারা ফিলিস্তিনি—এই পরিচয়?
বিশ্ব বিবেক কি আজ নিঃশব্দ? শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো কি শুধু নিজেদের স্বার্থের কাছে মানবতাকে বিকিয়ে দিয়েছে? রক্তস্রোত বয়ে যাচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে হাজারো স্বপ্ন—তবুও নীরবতা! ইরানে আক্রমণের ফলে মধ্যপ্রাচ্য এখন জ্বলছে,
United States,আমেরিকা ও ইসরায়েল যদি এভাবেই আগ্রাসনের আগুন জ্বালিয়ে রাখে, তবে সেই আগুন একদিন পুরো বিশ্বকে গ্রাস করবে। ইতিহাস সাক্ষী—অন্যায়ের আগুন কখনো সীমান্ত মানে না। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ছায়া ক্রমেই ঘনিয়ে আসছে।
মানবতার দোহাই দিয়ে বলছি—রক্তপাত বন্ধ হোক। শক্তির অহংকার নয়, ন্যায়ের বিজয় হোক। শিশুর কান্না নয়, পৃথিবী ভরে উঠুক শান্তির বার্তায়।মনে রাখবেন অস্ত্রের শক্তি সাময়িক, কিন্তু মানুষের কান্না চিরন্তন। ক্ষমতার সিংহাসন টিকে থাকে কিছুদিন, কিন্তু রক্তের দাগ ইতিহাসের পাতায় অমোচনীয় হয়ে থাকে যুগের পর যুগ।।