বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁয়ে ফয়জল হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার সোনারগাঁয়ে শর্ট সার্কিট থেকে আল-মদিনা শপিং মলে অগ্নিকাণ্ড মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ছোট সাদিপুরে আতাউর রহমানের উঠান বৈঠক সোনারগাঁ সরকারি কলেজে অনার্স ১ম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে ধর্ম ত্যাগে বাধ্য করে বিয়ের অভিযোগ, তালাকের পর হুমকি-হামলার আতঙ্কে পরিবার সোনারগাঁয়ে একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী মিলন মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোনারগাঁয়ে বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৫৫তম জাতীয় বাজেট অনুমোদন উপলক্ষে সোনারগাঁয়ে বিএনপির আনন্দ র‍্যালি বৈদ্যেরবাজারে গ্রাম আদালত সেবা বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত মারিখালী নদীর ব্রিজ সংলগ্ন ময়লার স্তূপ অপসারণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগর রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা-কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৮১ Time View

স্টাফ রিপোর্টার।

সোনারগাঁ উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের জামপুর ইউনিয়ন ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সাংসদ বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং গণতন্ত্র বিকাশে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অবদান অপরিসীম ও অতুলনীয়। তাঁর দূরদৃষ্টি, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি অর্জনসহ মাথাপিছু আয় বাড়ছে, কমছে দারিদ্র্যের হার। তাঁর সাহসিকতা এবং নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন হয়েছে। উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে শেখ হাসিনার যুগান্তকারী কর্মসূচি বাংলার ইতিহাস হয়ে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক, বিশ্বে প্রভাবশালী নারী প্রধানমন্ত্রী, অনুকরণীয়-অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশে রেকর্ড পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে। খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, মূল্যবোধ, কৃষি, অর্থনীতি, রেমিট্যান্স, বিদ্যুৎ, বৈদেশিক সম্পর্কের উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেশবাসীকে যুগান্তকারী সাফল্য এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। শুধু আর্থিক বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল হয়েছে, বাল্যবিবাহসহ বিভিন্ন রকমের সামাজিক সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তাঁর কাজের স্বীকৃতি মিলেছে। বাংলাদেশের সফলতা ও নেতৃত্বগুণের জন্য তিনি বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন ও নানাবিধ সম্মানে ভূষিত হয়ে বাংলাদেশের নাম বিশ্বব্যাপী উজ্জ্বল করেছেন। বিশ্বের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ এখন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। বিশ্ব গণমাধ্যমে শেখ হাসিনা এখন বহুল আলোচিত ও প্রশংসিত নেতা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পর শেখ হাসিনা ছাড়া এমন গুণাবলিসম্পন্ন আর কোনো নেতা বাংলাদেশের মানুষ পায়নি। এ কারণে তাঁর সাথে অন্য কোনো নেতার তুলনা চলে না, শেখ হাসিনা নিজেই নিজের তুলনা।
এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামমুখর জীবন শেখ হাসিনার। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস তিনি গৃহবন্দি থেকেছেন। সামরিক স্বৈরশাসনামলেও বেশ কয়েকবার তাকে কারা-নির্যাতন ভোগ ও গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে। বারবার তার জীবনের ওপর ঝুঁকি এসেছে। অন্তত ১৯ বার তাকে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি অসীম সাহসে তাঁর লক্ষ্য অর্জনে থেকেছেন অবিচল।
একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে শেখ হাসিনার অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ইতোমধ্যে তিনি শান্তি, গণতন্ত্র, স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, দারিদ্র্য বিমোচন, উন্নয়ন এবং দেশে দেশে, জাতিতে জাতিতে সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ভূষিত হয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ অসংখ্য পদক, পুরস্কার আর স্বীকৃতিতে।
মিয়ানমার সরকারের ভয়াবহ নির্যাতনে আশ্রয়হীন ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে তাদের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করে ‘বিশ্ব মানবতার বিবেক’ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। জাতিসংঘের অধিবেশনে বিশ্ব নেতারা তাঁর এই মানবিক দৃষ্টান্তের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নিখাদ দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা, দৃঢ়চেতা মানসিকতা ও মানবিক গুণাবলি তাঁকে আসীন করেছে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে। একবিংশ শতাব্দীর অভিযাত্রায় দিন বদলের মাধ্যমে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার সুনিপুণ কারিগর শেখ হাসিনা। তিনিই বাঙালির জাতীয় ঐক্যের প্রতীক এবং ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল।
মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা- একটি মানুষও গৃহহীন ও ভূমিহীন থাকবে না। এই লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি জমির মালিকানাসহ ৬৩ হাজার ৯৯৯টি ঘর হস্তান্তর করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০ জুন জমির মালিকানাসহ ৫৩ হাজার ৩৩০টি ঘর দেওয়া হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মাণ করা একক ঘরের সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি। চলমান তৃতীয় পর্যায়ে মোট বরাদ্দকৃত একক ঘরের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৮০০টি। এর মধ্যে গত ২৬ এপ্রিল হস্তান্তরিত হয় ৩২ হাজার ৯০৪টি এবং ২১ জুলাই হস্তান্তর হয় ২৬ হাজার ২২৯টি। এছাড়া আরও ৮ হাজার ৬৬৭টি ঘর নির্মাণাধীন রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মসূচি দেশের একজন মানুষও না খেয়ে থাকবে না, একজন মানুষও দরিদ্র থাকবে না, একজন মানুষও অসহায় থাকবে না। শেখ হাসিনার মতো জনবান্ধব প্রধানমন্ত্রী অতীতে কখনো আসেনি। তিনি যেভাবে গরিবের কষ্ট বোঝেন, দুঃখীর দুঃখ বোঝেন, অসহায়ের ব্যথা বোঝেন, এ রকম না হলে তিনি রাষ্ট্রনায়ক হতে পারতেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেটা প্রমাণ করেছেন। দেশরত্ন শেখ হাসিনা দলমত নির্বিশেষে প্রতিটি অসহায় মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 কাগজ কলম
Theme Customized By Max Speed Ltd.